মনির হোসেন, বেনাপোল:যশোরের শার্শা উপজেলায় ইট ভাটার পাশ থেকে জামাল হোসেন(৩০)নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ সময় মরদেহর পাশ থেকে একটি এ্যাপাসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
রোববার ৩০মার্চ রাত ১১ টার দিকে উপজেলার গোগা ইউনিয়নের ইছাপুর শফি ভাটার পাশ থেকে এ মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শার্শা থানা পুলিশ।
নিহত জামাল হোসেন সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার চান্দুড়িয়া কাদপুর গ্রামের আয়ুব হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার বালুন্ডা টু সেতাই সড়কের গোগা ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের শফি ভাটার পাশে একটি এ্যাপাসি ফোরভি কালো রংয়ের মোটরসাইকেল ও একটি মরদেহ পড়ে আছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশ আরো জানায়, মরদেহের পাশে ২ জোড়া স্যান্ডেল ও ৪/৫ টি মেহগনি গাছের চলা পড়ে ছিলো। নিহতের মুখ ও মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
তথ্যনুসন্ধানে জানাগেছে, নিহত জামাল মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত এবং সে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া সীমান্ত এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল বহন করে শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার বিভিন্ন মাদককারবারীর নিকট পৌঁছে দেওয়ার কাজ করত। এদিন নিহত জামাল ও তার সহযোগী জাহিদ মাদক পৌঁছে দিতে ওই এলাকায় গিয়েছিলো। তবে জামাল নিহত হলেও জাহিদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, নিহতের সাথে থাকা জাহিদকে আটক করা হয়েছে । তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে।
মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
শার্শায় ঈদের জামাতের সময় পরিবর্তন নিয়ে সংঘর্ষ, আহত-৩
মনির হোসেন, বেনাপোল।
যশোরের শার্শায় ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় পরিবর্তন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৩১ মার্চ) সকালে শার্শা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বেড়ি-নারায়নপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদগাহ কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ঈদের নামাজের সময় ১০ মিনিট বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। এ বিষয়ে ক্যাশিয়ার আব্দুর রশিদ ইমাম সাহেবের সঙ্গে আলোচনা করলে, তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষ বাঁধে।
সংঘর্ষে একই গ্রামের মোখলেস (৫২), আজিজ (৪০) ও আলিম (৩৫) দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রশিদ ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বেড়ি নারায়নপুর গ্রামের দুলু বেপারীর ছেলে আব্দুর রশিদ (৫৩) ও শাহাজান (৪৫) এবং কদম আলীর ছেলে আয়াত আলী (৬৫) নামে তিনজন আহত হয়েছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম রবিউল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। থানায় অভিযোগ করলে তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।