বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে এর আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ছিল ৩২৯। আর আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৩০ রান করেন মাশরাফিরা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশ এর আগে মাত্র একবার ৩০০ রান টপকাতে পারে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে স্কটল্যন্ডের বিপক্ষে ৩২২ রান করেছিলেন টাইগাররা।

দুই ম’তে ৩০০ পার :  মোসাদ্দেক-মাহমুদুল্লাহর ঝোড়ো ইনিংসে নির্ধারিত ওভার শেষে ছয় উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রান করেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মাহমুদুল্লাহ ৩৩ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। মোসাদ্দেক ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

২২ রানের জন্য মুশফিকের সেঞ্চুরি মিস : মাত্র ২২ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ৮০ বলে ৭৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

সম্ভাবনা দেখিয়ে আউট মিথুন : ২১ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান মোহাম্মদ মিথুন। ২ চার ও ১ ছয়ের মারে তিনি এ রান করেন।

সেঞ্চুরি বঞ্চিত সাকিব : বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে যেভাবে খেলছিলেন সাকিব, তাতে সেঞ্চুরি পাওয়া সময়ের ব্যাপার ছিল। কিন্তু তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছানোর আগেই ফেরেন সাজঘরে। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৫ রান। ৮৪ বলে ৭৫ রান করেন তিনি।

বাংলাদেশের ২০০ : সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে দ্রুতগতিতে রান তুলেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে এই দুজনের হাফসেঞ্চুরিতে মাত্র ৩২ ওভারে দলীয় স্কোর ২০০ করেন টাইগাররা।

মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি : হাফসেঞ্চুরির দেখা পায় মুশফিকুর রহীমও। চার মেরে ৫৩ বলে ক্যারিয়ারের ৩৪তম হাফসেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের এই ব্যাটিং স্তম্ভ।

সাকিবের হাফসেঞ্চুরি : টানা চার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করলেন সাকিব আল হাসান। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব আজ ক্যারিয়ারের ৪৩তম হাফসেঞ্চুরি করেন।

সাকিবের রেকর্ড : বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই খেলতে নেমে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তিন ফরম্যাটের খেলায় ১১ হাজার রান করে রেকর্ড গড়লেন সাকিব আল হাসান। তার আগে এ রেকর্ড করেন বাঁহাতি ওপেনার তামিম ইকবাল।

বাংলাদেশের সেঞ্চুরি : দুই ওপেনার ফিরে গেলেও সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। এই দুজনের সাবলীল ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৬ ওভারেই ১০০ রান করেন টাইগাররা।

তামিমের পথে সৌম্য : তামিম ফিরে যাওয়ার অল্প সময়ের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান। মাত্র ৩০ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন এ বাঁহাতি ওপেনার।

দারুণ শুরুর পর তামিমের বিদায় : টাইগারদের প্রথম ম্যাচে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। তবে বেশি দূর এগোতে পারেননি তামিম, দলীয় ৬০ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন এ বাঁহাতি ওপেনার।

তামিম-সৌম্যে দারুণ শুরু : বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দারুণ শুরু করেছে বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন বাংলাদেশকে। দুজনের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৬০ রান।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ : লন্ডনের দ্য ওভালে এই ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি । বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি শুরু হয়।

শুরুতে ব্যাটিং করা ভালো হবে বলে মাশরাফী বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী। আমাদের ভালো প্রস্তুতি আছে। প্রথমে ব্যাট করা আমাদের জন্য ভালো হবে। প্রত্যেকেই খেলার জন্য ফিট রয়েছেন’

এদিকে এই ম্যাচে তামিম-সাইফুদ্দিনের ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা থাকলেও দুজনেই আছেন একাদশে। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে দুর্দান্ত খেলার কারণে এই ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন সাব্বির রহমান।

বাংলাদেশের এটি প্রথম ম্যাচে হলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে হার দিয়ে শুরু হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ মিশন।