01ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার ভয়ংকর একটি সংঘবদ্ধ দলের নাম মোল্যা বাহিনী। ছিনতাই, চুরি ,ডাকাতি লুট জমি দখল সব কিছুতেই জড়িত মোল্যা বাহিনী। কবীর মোল্যার নেতৃত্বে চলে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নির্যাতন। চাহিদাকৃত চাঁদা না দিলেই চলে নির্যাতন। সম্পতি হিন্দু সম্প্রদায়ের রতন বাবুর ৪টা গরু গোয়ালঘর থেকে খুলে নিয়ে আসে এ বাহিনী। গরুগুলো সমসকান্দী গ্রামের সেলিমের গোয়ালঘরে জোর করে রাখে। পরে সমঝোতার মাধ্যমে গরু ফেরত দেয়।
অভিযোগ কবীর মোল্যার কারনেই মীরের কাপাসহাটিয়া গ্রামের ফারুক সর্দার ধুকে-ধুকে মারা যায়। ফারুক সর্দারের বউ ফুলবানু কে নিয়ে পরকীয়ায় লিপ্ত থাকার কারনেই ফারুক মনের দুঃখে গ্রাম ছেড়ে চলে যায়। পরে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। ঘরে বউ থাকার পরেও এখন চলছে কবীর মোল্যার পরকীয়ার মিশন যা মীরের কাপাষহাটিয়া গ্রামের ওপেন সিক্রেট। মোল্যা বাহিনীর ভয়ে কেউ কিছু বলে না। এবাহিনীর সদস্য আরেক সদস্য মীরের কাপাষহাটিয়া গ্রামের নুর ইসলাম মেম্বার গ্রামের অনেক লোকের সর্বনাশ করেছে। বয়স্ক ভাতা করে দেওয়ার নাম করে, আবুল শেখের নিকট থেকে টাকা আদায়। জমি দখল করে দেওয়ার কথা বলে রাজ্জাকের নিকট থেকে ৩৫ হাজার টাকা আদায়। পঙ্গু ইকরামের মৃত মায়ের ভিজিএফ এর গম/টাকা আত্মসাৎ। মসজিদের ২টন চালের টাকা আত্মসাৎ করেছে এ বাহিনী।
ঘোড়াখালী গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হারান সর্দারের শ্যালো মেশিন চুরি করে এনে মীরের কাপাষহাটিয়া বাজারে জেনারেটর বানিয়ে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিত কবীর মোল্যা। পরে হারান সর্দার এসে তার মেশিন উদ্ধার করে নিয়ে যায় । এ বিষয়ে হারান সর্দার থানায় কোন অভিযোগ দিতে পারেনি এবাহিনীর চাপে। গত একমাসে ৫টা শ্যালো মেশিন চুরি হয়েছে। এবাহিনীর জন্য অনেক কৃষক আজ সর্বশান্ত।
এবাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলে কিছু বলে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানায় প্রতিবাদ করার কারনে বাবলু খানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা,ধর্ষন মামলা,চাদাবাজির মামলা দায়ের করে হয়রানী করেছে এবাহিনী। এবাহিনীর উপদেষ্টার ভুমিকায় আছেন পত্রিকার হকার খলিল শেখ। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তিনি তাদের শেল্টার দেন বলেও অভিযোগ করেন অনেকে। এ ব্যাপারে নুর ইসলাম ও খলিলকে ফোন দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়