দৈনিকবার্তা-উজিরপুর (বরিশাল), ৩১ মে: উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের প্রত্যনত্ম রাজাপুর গ্রামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে৷
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে কলাভিটা গ্রামের রুহুল আমিন তালুকদার, ইলুহার গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও রাজাপুর গ্রামের মোতালেব বিশ্বাস সহ কয়েক জন ওয়ারিশ ৪নং রাজাপুর মৌজার এস.এ ৪২৪/৪৩৭ খতিয়ান, ২১৩৩/২১৩৪/২১০১/২৩৫১ দাগের ২ একর ৬৪ শতক জমি পৈত্রিক সূত্রে কয়েক যুগ যাবত্ শানত্মিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসলেও সমপ্রতি রাজাপুর গ্রামের মৃত সফিজুদ্দিন খা’র ছেলে আনোয়ার হোসেন ওরফে কালু খা উল্লেখিত জমি তার নিজের দাবী তুলে দখলের কৌশল নিয়ে জমির উপর মুরগীর ফার্ম ও গড়া-পাটা দিয়ে দখলের পায়তারা চালায়৷ এছাড়া আনোয়ার হোসেন তার নিজ নামে ১৯৬১ সালের একটি দলিল মূলে ওই জমি নিজের দাবী করে বরিশালে উজিরপুর সহকারি জজ আদালত দেওয়ানী ০৬/২০১৩ নং মোকদ্দমা দায়ের করে৷ বিজ্ঞ আদালত আনোয়ার হোসেনের মোকদ্দমা পর্যালোচনা ও বিবাদীদের প্রাথিত মতে উল্লেখিত তফসিল বর্নিত সম্পত্তিতে স্থিতিশীল অবস্থার আদেশ প্রদান করে৷ নিজের দায়ের করা মোকদ্দমায় বিজ্ঞ আদালতের এই আদেশ আনোয়ারের নিজের পায়ে কুঠারের আঘাতের মতই প্রতিকূলতা দেখা দেয়৷ আদালতের দেওয়া স্থিতিশীল আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মুরগীর ফার্ম ও গড়া-পাটা দিয়ে জমি দখলের কৌশল গ্রহণ করে কালু খা৷ অপরদিকে ওই এলাকার কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবার তাদের জমি ওই বিরোধীয় জমি সংলগ্ন হওয়ার কারণে প্রভাবশালীদের দারা অপদখলের অসংখ্যা প্রকাশ করেন৷ ভুক্তভোগীরা প্রভারশালী আনোয়ার হোসেন ওরফে কালুখার হয়রানী, মিথ্যা মামলা ও প্রভাব বিসত্মারের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের উর্ধত্বন কতর্ৃপৰের সুদৃষ্টি কামনা করেন৷ এবিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ার হোসেন ওরফে কালুখা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে ওই সম্পত্তির অনুকূলে তার প্রয়োজনীয় কাজগপত্র রয়েছে বলে দাবী করেন৷ নিজের সম্পত্তি হওয়া সত্বেও দির্ঘ্যদীন কেন ভোগ করেননি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের কোন সদোত্ত্বর দিতে পারে নি৷