
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি ইফতেখার হাসান বলেন, গত দুই মাস ৯ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় শিবির নেতা রাসেল বোমা বানাতে গিয়ে মারা যান। দলীয় লোক ও আত্মীয়স্বজনরা তড়িগড়ি করে তাঁর মরদেহ দাফন করে ফেলেন। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের নির্দেশে কবর থেকে তাঁর লাশ উত্তোলন করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল আলম বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে লাশটি উত্তোলন কর হয়। লাশটির পোস্টমর্ডেম রিপোর্ট আসার পর বিষয়টি জানা যাবে।
বোমা বিস্ফোরণে নিহিত রাসেল পৌরসভার মাধ্যম এয়াকুবনগরের প্রবাসী জহুর আহমদের ছেলে। তিনি জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দলীয় সূত্রে জানা যায়।
তবে একই ঘটনায় বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে আহত শিবির নেতা আরিফের (২০) কোনো হদিস পুলিশ খুঁজে পায়নি।